কখন দাখিল করবেন: সময়সূচি, প্রণোদনা ও অতিরিক্ত কর
করবর্ষ ২০২৬-২৭-এর রিটার্ন ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দেওয়া যায়; কবে দিলে কত সুবিধা বা কত বাড়তি কর।
অর্থ আইন, ২০২৬ আয়কর আইনের ধারা ১৭০ বদলে দিয়েছে। ব্যক্তি করদাতা এখন পুরো করবর্ষজুড়ে রিটার্ন দিতে পারেন; কোন সময়ে দিচ্ছেন তার ওপর প্রণোদনা বা অতিরিক্ত কর নির্ভর করে। হিসাবের ভিত্তি হলো ধারা ১৭৩ অনুযায়ী রিটার্নের সাথে আপনাকে যে কর দিতে হবে (রেয়াত ও উৎসে কর বাদ দিয়ে)।
| কখন দাখিল | ফল |
|---|---|
| ১ জুলাই – ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | কর প্রণোদনা: পরিশোধযোগ্য করের ৫% অথবা ৳২৫,০০০, যেটি কম |
| ১ অক্টোবর – ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ | প্রণোদনা নেই, অতিরিক্ত করও নেই |
| ১ জানুয়ারি – ৩১ মার্চ ২০২৭ | অতিরিক্ত কর: ২% অথবা ৳৩,০০০, যেটি বেশি |
| ১ এপ্রিল – ৩০ জুন ২০২৭ | অতিরিক্ত কর: ৫% অথবা ৳৫,০০০, যেটি বেশি |
| ৩০ জুন ২০২৭-এর পর, নিজ উদ্যোগে | ধারা ১৭৪: অতিরিক্ত কর ১০% অথবা ৳৫,০০০, যেটি বেশি |
| ৩০ জুন ২০২৭-এর পর, ধারা ২১২-এর নোটিশ পেয়ে | ১৫% অথবা ৳১০,০০০, যেটি বেশি |
উদাহরণ
রিটার্নের সাথে দেয় কর ৳২৫,৮০০ হলে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাখিলে প্রণোদনা ৳১,২৯০ (নির্দেশিকার উদাহরণ ২৩)। ৳১,৭৯,৮০০ দেয় করের রিটার্ন ১৫ জুলাই ২০২৭-এ দিলে অতিরিক্ত কর ৳১৭,৯৮০ (উদাহরণ ২৬)।
দেরিতে দাখিলের অন্য ক্ষতি
- করবর্ষ পেরিয়ে দাখিল করলে বেশিরভাগ কর অব্যাহতি হারাবেন (যেমন মাছের খামারের আয়ের অব্যাহতি); বেতনের অব্যাহতি, সরকারি পেনশন, ভবিষ্য তহবিল, বৈধ পথে আনা রেমিট্যান্স ও পরিবারের মধ্যে দানের মতো কয়েকটি অব্যাহতি টিকে থাকে।
- ধারা ২৬৬ অনুযায়ী জরিমানা, সরল সুদ, এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বেতন-ভাতা পেতে জটিলতা।
বিশেষ সুবিধা
- প্রথমবারের করদাতা আয়বর্ষ শেষের পরের ৩০ জুনের মধ্যে নিয়মিত হারে কর দিয়ে দাখিল করতে পারেন।
- উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা উপার্জনের জন্য বৈধ ভিসায় বিদেশে থাকলে দেশে ফেরার ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করা যায়।
- শেষ দিনটি সরকারি ছুটি হলে পরের কর্মদিবসে দাখিল করা যায়।