লগইনরিটার্ন শুরু করুন

আপনার তথ্যের নিরাপত্তা

কাগজপত্র কীভাবে রাখা হয়, কারা দেখতে পারেন, আর AI কী দেখে।

সর্বশেষ হালনাগাদ: ৭ নভেম্বর ২০২৬

  • এনক্রিপশন। সাইটের সব যোগাযোগ HTTPS-এ। আপলোড করা কাগজপত্র এনক্রিপ্ট করে রাখা হয়; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আলাদা চাবি। টিআইএনের মতো সংবেদনশীল তথ্যও ডেটাবেসে এনক্রিপ্ট করা।
  • ডাউনলোড শুধু স্বল্পমেয়াদি লিংকে। কাগজ খোলার লিংক স্বাক্ষরিত এবং অল্প সময় পরে অকার্যকর হয়।
  • পাসওয়ার্ড নেই, কোড আছে। গ্রাহকেরা ইমেইল বা ফোনে আসা এককালীন কোডে লগইন করেন। কর্মীদের পাসওয়ার্ড এবং প্রয়োজনে দ্বিতীয় ধাপের যাচাই লাগে।
  • আপনার ই-রিটার্ন পাসওয়ার্ড আমরা চাই না। রিটার্ন জমার জন্য শুধু এনবিআরের TRMS থেকে আসা অনুমোদনের কোডটি নিই। কোডটি এনক্রিপ্ট করে রাখা হয়, ১০ মিনিটে মেয়াদ শেষ হয়, যে প্রতিনিধি চেয়েছেন তিনি (বা তাঁর তত্ত্বাবধায়ক) একবারই দেখতে পান, তারপর মুছে ফেলা হয়। কেউ বার্তায় কোড পাঠালে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঢেকে দেওয়া হয়।
  • শুধু আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আপনার রিটার্ন দেখতে পারেন কেবল আপনার কর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা, তাঁদের দায়িত্ব অনুযায়ী; প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ডেটাবেস স্তরেই আলাদা থাকে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কাজ অডিট লগে লেখা থাকে।
  • AI কী দেখে। কাগজপত্র পড়তে আমরা বাংলাদেশের বাইরের একটি AI সেবা ব্যবহার করি। লেখা থাকা কাগজ পাঠানোর আগে নাম, টিআইএন, এনআইডি ও ফোন নম্বর সাংকেতিক চিহ্নে বদলে দেওয়া হয়। ছবি বা স্ক্যান করা কাগজ যেমন আছে তেমন পড়া হয়। সেবাদাতা এসব দিয়ে তাদের মডেল প্রশিক্ষণ দেয় না, আর AI-এর পড়া প্রতিটি অঙ্ক একজন প্রস্তুতকারী যাচাই করেন।
  • ব্যাকআপ। প্রতি রাতে ডেটাবেস ও কাগজপত্রের এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ রাখা হয়।
  • সার্ভার। আমাদের সার্ভার বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডেটা সেন্টারে। এ কারণে কাজ শুরুর আগে আমরা আপনার আলাদা সম্মতি নিই; বিস্তারিত গোপনীয়তা নীতিতে।

নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা চোখে পড়লে যোগাযোগ পাতায় দেওয়া ঠিকানায় জানান।